খোয়াইয়ে সরু রাস্তার ধারে পড়ে রয়েছে গাছের কাটা অংশ, দূর্ঘটনার আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিনিধি, খোয়াই, ২৭ ডিসেম্বর৷৷ গাছ লাগান, প্রাণ বাঁচান৷ একটি গাছ একটি প্রাণ৷ তার সাথেই জনসচেতনতার প্রশ্ণে আরো একটি কথা প্রচলিত আছে একটি গাছ কাটার পর এক ভর্তুকি হিসাবে বিকল্প গাছ লাগানো উচিত৷ কিন্তু এখানেই যত বিপত্তি৷ অসচেতনতার এই ঘেরাটোপেই দেশ নয় গোটা বিশ্বজুড়ে এখন তোলপাড় ভূপৃষ্ঠ৷ বিনষ্ট হচ্চে পরিবেশের ভারসাম্য৷ আর এর জন্য দায়ী কোন অন্য গ্রহের জীব নয় আমরা মানুষই এর জন্য মূল দায়ী৷ যে কারণে একটি গাছ কাটার পর তার ভর্তুকি হিসাবে বিকল্প গাছ না লাগানোর খেসারত ধীরে ধীরে দিতে হচ্ছে৷ খোয়াই জেলাতেও গাছ লাগান প্রাণ বাঁচান স্লোগানের কোন প্রকার সুফল নেই৷ শুধু বছরের পর বছর ধরে চলছে বনমহোৎসব আর এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অর্থ কামাই করা৷ প্রতি বছর সরকারি টাকা খরচ করা হচ্ছে৷ বৃক্ষরোপণ হচ্ছে৷ কিন্তু চারাগাছগুলিকে রক্ষণাবেক্ষণের কোন উদ্যোগ কেউই গ্রহণ করছেন না৷ উপরন্তু বহু পুরনো গাছগুলো একের পর এক কেটে সাফ করে ফেলা হচ্ছে৷ শহরকে সাজাতে, নতুন রূপ দিতে একের পর এক ৬০-৭০ বছর পুরনো গাছ ধবংস করা হচ্ছে৷ কিন্তু বিকল্প গাছ লাগানোর কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে না৷ খোয়াই কবিগুরু পার্ক চত্বরে স্থানীয় পুকুর পারে একটি বহু পুরনো বটবৃক্ষ কেটে ফেলা হল৷ পূর্ত দপ্তরের উদ্যোগে কয়েক মাস আগে এই গাছ কেটে ফেলা হলেও এর বিকল্প হিসাবে কোন গাছ লাগানো হয়নি এযাবত৷ বরং গাছের কাটা অংশগুলি রাস্তার ধারে যত্রতত্র ফেলে রাখা হয়েছে৷ এগুলিকে রাস্তার ধার থেকে অন্যত্র সরানোর কোন উদ্যোগ নেই পূর্ত দপ্তরের৷ অথচ আশেপাশে দু-দুটি সুকল, পার্টি অফিস, পুর পরিষদের কার্যালয় রয়েছে৷ এছাড়া বিদ্যুৎ দপ্তর, দুটি টাউন হলও রয়েছে৷ ব্যস্ততম সড়কের পাশে এভাবে গাছের বিশাল বিশাল টুকরো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকলেও উদাসীন সংশ্লিষ্ট দপ্তর৷ এমনিতেই দুর্ঘটনার হিড়িক৷ তার মধ্যে পূর্ত দপ্তরের এই উদাসীনতায় বড়সড় যান দুর্ঘটনার আশঙ্কাকেও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না৷ তাছাড়া রাস্তা বেশ সরু৷ যান চলাচলে এমনিতেই অসুবিধার সৃষ্টি হয়৷ তার মধ্যে এই বিষয়টিতে কোন প্রশাসনিক কর্তার কোন নজর নেই৷ অতিসত্বর গাছের কাটা অংশগুলি সরিয়ে যেন দুর্ঘটনা থেকে সুকল পড়ুয়া থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করার দাবি জনসাধারণের৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *