সাত দিন পর নিখোঁজ মহিলার পঁচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার, খুনের অভিযোগ

muder photoনিজস্ব প্রতিনিধি, চড়িলাম, ৬ ডিসেম্বর৷৷ অবশেষে নিখোঁজ মহিলার পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার হল৷ বিশালগড় মহকুমাস্থিত কৃষ্ণকিশোরনগর এলাকার বাসিন্দা প্রতিমা বর্মণের নিখোঁজের সাতদিন পর মঙ্গলবার সকালে এলাকারই একটি ডোবা থেকে তার পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে৷ এদিন, স্থানীয় জনগণ মৃতদেহটি দেখতে পেয়ে বিশালগড় থানায় খবর দেয়৷ মহিলার শরীরে কাপড় দেখে তার বাড়ির লোকেরা তাকে শনাক্ত করেন৷ পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়৷ প্রাথমিকভাবে অনুমান প্রতিমা বর্মণকে খুন করা হয়েছে৷
জানা গেছে, গত মঙ্গলবার থেকে তাকে খঁুজে পাওয়া যাচ্ছিল না৷ এনিয়ে বিশালগড় মহিলা থানায় ডেপুটেশানও দেওয়া হয়েছিল৷ ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, গত মঙ্গলবার কে কে নগর এলাকার বাসিন্দা মৃদুল দেববর্মার বাড়িতে কালীপুজো উপলক্ষ্যে কাজের জন্য প্রতিমা বর্মণকে নিয়ে যাওয়া হয়৷ মৃদুলবাবুর বাড়িতে ঠিকাকাজ করেন প্রতিমার প্রতিবেশী রত্না দাস৷ জানা গেছে, মৃদুলবাবু রত্না দেবীকে প্রতিমা বর্মণকে বিসর্জনের দিন কাজের জন্য নিয়ে আসতে৷ কথামত রত্নাদেবীও তাকে নিয়ে আসেন৷ কিন্তু মঙ্গলবার রাত হয়ে গেলেও প্রতিমা বর্মণ বাড়ি না ফেরায় তার মেয়ে মোবাইলে বারবার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে৷ কিন্তু কেউই ফোন তুলছিলেন না৷ হঠাৎ রত্নাদেবী ফোন তুলে জানান, প্রতিমা বর্মণ বাড়ি চলে গেছেন৷ এই কথা জেনে প্রতিমা বর্মণের মেয়ে তার অসুস্থ বাবাকে নিয়ে মৃদুলবাবার বাড়িতে যান৷ সেখানে গিয়ে দেখে তার মার পায়ের জুতো ও মোবাইল সহ কাপড়ের থলি মৃদুলবাবুর বাড়িতেই রয়েছে৷ তাদেরকে দেখে মৃদুলবাবুর বাড়ির অন্যান্য সদস্য জানান, প্রতিমা বর্মণ বিকেলেই বাড়ি চলে গেছেন৷ এরপর থেকে তাকে আর খঁুজে পাওয়া যাচ্ছিল না৷ এদিন, মৃতদেহ উদ্ধারের পর প্রতিমা বর্মণের বাড়ির সদস্যরা তাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন৷ তবে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কোন কিছু নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না বলে পুলিশ জানিয়েছে৷ অবশ্য এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত জারি রেখেছে৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *