নিজস্ব প্রতিনিধি, চুড়াইবাড়ি, ১৫ নভেম্বর৷৷ বাতিল নোট নিয়ে গোটা দেশ তোলপাড়৷ ব্যাঙ্কগুলিতে নোট বদল নিয়ে ঝামেলার

অন্ত নেই৷ গচ্ছিত টাকা তোলা নিয়ে হয়রানির চূড়ান্ত সীমায় গ্রাহকরা৷ খুচরোর গ্যাড়াকলে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস৷ এই পরিস্থিতিতে কালো টাকার মালিকরা কোটি কোটি টাকা চোরাচালান করার জন্য তৎপর রয়েছে৷ ব্যাঙ্কের দরজায় যেতে যারা ভয় পাচ্ছেন সেই সব কালো টাকার মালিকরা নানা পন্থা অবলম্বন করছেন আয়কর বিভাগের খড়গ থেকে বাঁচার জন্য৷ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কালো টাকা উদ্ধারের সরকারী কোন তথ্য না মিললেও বাতিল নোট চোরাচালান করার সময় পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে অনেকেই৷ আবার উদ্ধারও হয়েছে কোটি কোটি টাকা৷ তাছাড়া কখনো বাতিল নোট মিলছে নালা নর্দমায় আবার কখনো মিলছে পরিত্যাক্ত অবস্থায়৷ প্রতিবেশী আসাম থেকে আট লক্ষ টাকা ত্রিপুরায় চোরাচালান করার সময় হাতেনাতে আটক হয়েছে দুইজন৷ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে চোরাচালানে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার (অল্টো)৷ ঘটনা কদমতলায়৷
সংবাদে প্রকাশ, আসাম ত্রিপুরা সীমান্ত কদমতলা থানাধীন ঝেরঝেরী এলাকায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আটক করা হয়েছে আট লক্ষ

টাকার বাতিল নোট সহ দুইজনকে৷ এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা নাগাদ সীমান্ত এলাকা ঝেরঝেরীতে কদমতলা থানার পুলিশের নাকা পয়েন্টে কর্মরত পুলিশ কর্মীরা এএস-১১-ই-৪৭০৬ নম্বরের একটি অল্টো গাড়ীকে সন্দেহজনক অবস্থায় আটক করে৷ গাড়িতে থাকা মকবুল হুসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে নগত আট লক্ষ টাকার বাতিল নোট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে৷ মকবুলের বাড়ি আসামের করিমগঞ্জ জেলার রাতাবাড়ি এলাকার আনিপুরে৷ ধৃত মকবুল বিশাল সংখ্যায় বাতিল নোট নিয়ে আসাম পুলিশকে ম্যানেজ করে রাজ্যে প্রবেশ করে৷
এদিকে, কদমতলা থানার পুলিশ জানিয়েছে, মকবুল হুসেনের কাছ থেকে বাতিল ৫০০ টাকার তিন লক্ষ টাকা তথা ৬০০ টি নোট৷ অন্যদিকে ১০০০ টাকার পাঁচ লক্ষ টাকা তথা ৫০০ টি নোট৷ পুলিশের ধারণা এই টাকা ধর্মনগরে কোথাও নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই আনা হয়েছে৷ পুলিশ বিষয়টি আয়কর বিভাগকে জানিয়েছে৷ আয়কর বিভাগ বাজেয়াপ্ত করা আট লক্ষ টাকা নিয়ে নিয়েছে এবং পুলিশ ধৃত মকবুল হুসেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে৷ অন্যদিকে, অল্টো গাড়ির চালককেও পুলিশ হেপাজতে রেখে জোর জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে বলে সংবাদ সূত্রে জানা গিয়েছে৷