গুয়াহাটি, ১০ নভেম্বর, (হি.স.) : নোট বদল প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে চলছে গুয়াহাটি, ডিব্রুগড়, তিনসুকিয়া, শিবসাগর, যোরহাট, বঙাইগাঁও, ধুবড়ি, শিলচর, করিমগঞ্জ, হাইলাকান্দি-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। রাজ্যের প্রতিটি ব্যাংক শাখার সামনে হাজার হাজার মানুষের লম্বা লম্বা সারি। ভিড়ভাট্টার ফলে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে নিয়োজিত রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিত খবর নেই।
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার নির্দিষ্ট সময়েই সকল ব্যাংক কর্মী নিজের নিজের শাখায় গিয়ে হাজির হন। সকাল সাড়ে চারটে থেকেই ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বদল করতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যেমন ভোটার পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, প্যানকার্ড ইত্যাদি হাতে হাতে নিয়ে লাইন বাঁধতে থাকেন কাতারে কাতারে গ্রাহক।
স্টেট ব্যাংক, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক, এক্সিস ব্যাংক, এলাহাবাদ ব্যাংক, আইসিআইসিআই, বরোদা প্রভৃতি ব্যাংক শাখাগুলি বৃহস্পতি ও শুক্রবার তাদের দৈনন্দিন কাজকর্মের সময় দু-ঘণ্টা করে বাড়াবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা। আজকের ভিড় দেখে স্টেট ব্যাংকের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ডিভিশনের চিফ জেনারেল ম্যানেজার পিভিএসএলএন মূর্তি বলেছেন, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বদলে অযথা আতঙ্কিত হয়ে পড়িমরি ছুটে আসার দরকার নেই। আগামীকাল শুক্রবার থেকে এটিএম এবং ক্যাশ ডিসপেন্সিং মেশিন (সিডিএম) চালু হয়ে যাবে বলে জানান মূর্তি। কেননা এটিএম-এর বর্তমান যে ক্যাসেট আছে তাতে কেবল ১০০, ৫০০০ ও ১০০০ টাকার নোটই রাখা যায়। দু-দিন ধরে ব্যাংক করেসপন্ডেন্টদের কাছ থেকে সব পুরোনো নোটগুলি সংগ্রহ করা, এটিএম-এ প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন করে ৫০ ও ১০০ টাকার নোট রাখার উপযোগী ক্যাসেট বসানোর কাজ চলছে। তাই যতদিন এটিএম বা সিডিএম চালু না-হচ্ছে, ততদিন ব্যাংকে গিয়েই নগদ টাকা জমা বা বদল করতে পারবেন গ্রাহকরা। তিনি জানান, প্রয়োজনে তাঁরা অতিরিক্ত টেলার কাউন্টারও খুলেছেন।
2016-11-10