চিটফান্ড প্রগতির সিএমডি রিমান্ডে, এমডি হাজতে

নিজস্ব প্রতিনিধি, কৈলাসহর, ১৮ আগষ্ট৷৷ চিটফান্ড সংস্থা প্রগতি’র সিএমজি অরিন্দম দাসকে পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছেন কৈলাসহর জেলা ও দায়রা জজ৷ বৃহস্পতিবার অরিন্দম দাসকে আদালতে তোলা হয়েছিল৷ এদিকে, অরিন্দম দাসের স্ত্রী তথা সংস্থার এমডি দীপশিখা চক্রবর্তীকে জেল হাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক৷
CHITFUNDগত ৯ আগষ্ট শিলিগুড়ি থেকে অরিন্দম দাস ও তার স্ত্রী দীপশিখা চক্রবর্তীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল৷ তারপর তাদের নিয়ে আসা হয় ত্রিপুরায়৷ আমানতকারীদের দশ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে কৈলাসহর থানায় একটি মামলা হয়েছিল৷ মামলার নম্বর ৯০/১২৷ এই মামলার প্রেক্ষিতে সিবিআই অরিন্দম দাস ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে৷ বৃহস্পতিবার অরিন্দম দাস ও তার স্ত্রী দীপশিখা চক্রবর্তীকে আদালতে তোলা হয়৷ সিবিআইয়ের পক্ষের আইনজীবী পরিতোষ সাহা অরিন্দম দাস ও দীপশিখাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আর্জি জানিয়েছিলেন৷ কিন্তু বাচারক তাদের হাজতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন৷ অন্যদিকে আমানতকারীদের অর্থ আত্মসাৎ সংক্রান্ত অপর একটি মামলা নথিভূক্ত করা হয়েছিল কুমারঘাট থানায়৷ এই মামলার নম্বর ২৯/১৩৷ এই মামলাটি সিআইডির তদন্তের অধীন৷ সেই মোতাবেক এদিন আদালতে সিআইডির পক্ষ থেকে অরিন্দম দাসকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য রিমান্ডের আর্জি জানানো হয়৷ বিচারক অরিন্দম দাসকে পাঁচ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন৷ অন্যদিকে অরিন্দমের স্ত্রী দীপশিখা চক্রবর্তীকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন৷
এদিকে, এদিন আদালতে অরিন্দম দাস জানিয়েছেন আমা- নতকারীদের জমানো টাকার ষাট শতাংশ মেচ্যুরিটি হিসেবে আমান- তাকারীদের দিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ বাকি যে টাকা রয়েছে তা রাজ্যে সংস্থার স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে তিনি ফিরিয়ে দেবেন৷ তার জন্য তাঁকে যাতে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়৷ তিনি বেরিয়ে গিয়ে আমানতকারীদের টাকা মিটিয়ে দেবেন বলে আদালতকে জানান৷ কিন্তু, তাঁর এই আবেদন খারিজ হয়ে যায়৷ প্রসঙ্গত, কৈলাসহর থানায় ৯০/১২ নম্বর মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন অরিন্দম দাস, দীপশিখা চক্রবর্তী ও পরিতোষ দাস সহ চারজন৷ তার মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে৷ পরিতোষ দাস বর্তমানে জামিনে মুক্ত৷ উল্লেখ্য, চিটফান্ড প্রগতি আমানতকারীদের প্রায় দশ কোটি টাকা হাপিজ করেছে বলে অভিযোগ৷