বক্সনগর, ২৪ মে: ধর্মপ্রাণ মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের বছরে দুটি ঈদ, একটি হলো ঈদুল ফিতর আরেকটি হল ঈদুজ্জোহা, আগামী ২৮ শে মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কোরবানির ঈদ। সেই উপলক্ষে পশুর হাট বসেছে সারা ত্রিপুরা রাজ্যেই। তারই অঙ্গ হিসেবে বক্সনগর দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে আজ সকাল ৭ ঘটিকা হইতে ত্রিপুরা রাজ্যের আন্ত প্রান্তে সীমান্ত থেকে পশু নিয়ে হাজির কুরবানী উপলক্ষে ক্রয় বিক্রয় করা।
ঈদ বলে কথা, আনন্দ বাতাসে আকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে,আর ছেলেমেয়েরা অপেক্ষা করছে কখন জানি পশু বাড়িতে নিয়ে আসে কুরবানীর জন্য। তফিক অনুসারে যে যার মত করে পশু ক্রয় করেন। বক্সনগর পশুর হাট ছিল লক্ষণীয় হাজার হাজার গরু ছাগল বেচা বিক্রি হয়েছে। ৪০ থেকে ৭০-৮০ হাজার টাকার গবাদি পশু বেশি পরিমাণে বিক্রি হয়েছে। প্রচন্ড গরম আর কাঠফাটা রোদে বসে নেই ক্রেতা বিক্রেতা। মাঠের দক্ষিণ প্রান্তে বসে রয়েছে কোরবানি পশু হাট পরিচালনা কমিটি। কমিটির অক্লান্ত পরিশ্রমে পশুর হাটে বাঁশ দিয়ে লাইন এবং খুঁটি বসানো হয়, ক্রেতা বিক্রেতার সুবিধার্থে, রয়েছে প্রয়োজনীয় পানীয় জলের ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা প্রশাসনের প্রশাসন কমিটির ভলান্টিয়াররা।
কুরবানীর পশুর বাজারকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে জাতী উপজাতি সকল অংশে মানুষের মধ্যে মিলন তীর্থক্ষেত্র। এখানে হিন্দু-মুসলিমের কোন ভেজাবেথ নেই পরিচালন কমিটির অধিকাংশ লোকই হিন্দু সম্প্রদায়, বক্সনগর এর বিধায়ক তোফাজ্জল হোসেনের প্রচেষ্টায় আজকের এই গরু বাজার পশুর হাট ঐতিহাসিক রূপ নিয়েছে। কোথাও তিল ধরনের জায়গা নেই বাইক গাড়ি স্কুটার থেকে দোকানপাট সবকিছুতেই ছিল লোকে লোকা রান্য। একজন বড় বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেল গরুটি বাজারে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করার জন্য বলেছেন উনি আশাবাদী আরেকটু বেশি বিক্রি করবেন।
বিধায়ক তোফাজ্জল হোসেন সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেন, বৃহস্পতিবার ২৮ তারিখ ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ধর্মাপান মুসলিমদের কোরবানির ঈদে সমস্ত ধর্মের হিন্দু মুসলিম বুদ্ধ খৃষ্টান সবার সুখ সমৃদ্ধি এবং মিলন সংহতি ভাতৃত্বেবোধ গড়ে উঠুক। বক্সনগর এর ঐতিহাসিক গরু বাজারে সবাইকে ঈদ মোবারক এবং রাজ্যবাসীকেও ঈদ মোবারক জানান। ভালোবাসার মেলবন্ধন এবং হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে মিলন মেলা, পূজা পার্বণে হিন্দু ছেলেরা অংশগ্রহণ করে আর পাশাপাশি কুরবানী অথবা ঈদুল ফিতরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হিন্দুরাও সক্রিয় সহযোগিতা করেন এটা বক্স নগরের চীরা চরিত প্রথা হিন্দু মুসলিম বলে কিছু নেই। খুশির আনন্দ নিয়ে আসুক সবার ঘরে ঘরে।



















